Home ত্রিপুরাশান্তিরবাজারে ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর, ভার্চুয়ালি চালু আরও ১৪টি প্রকল্প

শান্তিরবাজারে ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর, ভার্চুয়ালি চালু আরও ১৪টি প্রকল্প

by Pravakar Baidya
0 comments 4 views

নিজস্ব প্রতিনিধি, শান্তিরবাজার, ৩১ জুলাই: দক্ষিণ ত্রিপুরার শান্তিরবাজারে প্রায় ২০০ কোটি টাকার একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা। একই সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আরও ১৪টি প্রকল্পেরও উদ্বোধন করা হয়। ত্রিপুরা জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে পিএম শ্রী তাইকুরমা দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়ে নির্মিত ৫০ আসন বিশিষ্ট গার্লস হোস্টেলের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অনুষ্ঠানস্থলে পুলিশ ও প্রশাসনের কড়া নজরদারি ছিল। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, ৩৬-শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, রাজনগর কেন্দ্রের বিধায়ক স্বপ্ন মজুমদার, মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া, স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখ্য সচিব কিরণ গিত্তে, দক্ষিণ ত্রিপুরার জেলাশাসক মোহাম্মদ সাজ্জাদ পি, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা বিজেপির সভাপতি দীপক দত্তসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা রাজ্যে বিজেপি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ত্রিপুরায় ধারাবাহিকভাবে উন্নয়নের কাজ চলছে এবং কেন্দ্রের সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ সময় তিনি বিরোধী দল সিপিআই(এম)-এর সমালোচনা করে বলেন, পূর্ববর্তী বাম সরকারের সময় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তোলা হলেও বর্তমানে কেন্দ্রের সহায়তায় রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের পাশাপাশি ত্রিপুরাতেও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, সিপিআই(এম)-এর ৩৫ বছরের শাসন কালে সাধারণ মানুষ উপর অত্যাচার ও চাঁদাবাজির শিকার হয়েছিলেন। বিজেপি সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে রাজ্যবাসীকে মুক্ত করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি আগামী দিনেও জনগণের সমর্থন নিয়ে উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠিতে উদ্বোধিত প্রকল্পগুলির মাধ্যমে শিক্ষা, জনজাতি কল্যাণ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

Leave a Comment