নিজস্ব প্রতিনিধি, শান্তিরবাজার, ২০ জুলাই : এক সময়ের ব্যস্ততা, কোলাহল আর মানুষের ভিড়ে গমগম করত শান্তিরবাজারের দক্ষিণ বাজার মোটর স্ট্যান্ড এলাকা। শহরের প্রাত্যহিক জনজীবন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল এই জায়গা। কিন্তু বর্তমানে সেই চেনা ছবিটা আর নেই। কার্যত জনশূন্য হয়ে পড়েছে গোটা এলাকা। দোকানপাট খুলে বসে থাকলেও ক্রেতার দেখা মিলছে না। বেচাকেনা নেই বললেই চলে। দিনের পর দিন এভাবে চলতে থাকায় চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।এলাকার প্রবীণ ব্যবসায়ী এবং পরিচিত মুখ প্রদীপ মজুমদার ওরফে ‘হেলো মজুমদার’ বর্তমান দুরবস্থার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “আগে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে মানুষের ভিড় লেগেই থাকত। এখন সকাল ১০টায় দোকান খুলে রাত ৮টা পর্যন্ত বসে থাকি, কিন্তু বিক্রি হয় না। সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মোটর স্ট্যান্ড এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় ব্যবসার পরিবেশ দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। ক্রেতা নেই, যানবাহনের আনাগোনা কমে গেছে, রাস্তাঘাট ও পরিকাঠামোরও বেহাল দশা। ফলে পুরনো খদ্দেররাও আর এই এলাকামুখী হচ্ছেন না।অনেক ব্যবসায়ী দোকান ভাড়া, বিদ্যুতের বিল দিতে না পেরে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার কথাও ভাবছেন। এলাকার পুরনো ঐতিহ্য এবং প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখে ব্যবসায়ীরা বিধায়ক প্রমোদ রিয়াংয়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। হেলো মজুমদারের কথায়, “আমরা চাই এলাকার উন্নয়ন হোক। রাস্তা, আলো, যানবাহনের সুব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা বাড়ানো হোক। তাহলেই আবার মানুষ ফিরবে, ব্যবসা ঘুরে দাঁড়াবে।”এলাকার উন্নয়ন এবং কয়েকশো ব্যবসায়ীর জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের অপেক্ষায় দিন গুনছেন শান্তিরবাজারের দক্ষিণ বাজার মোটর স্ট্যান্ডের ব্যবসায়ীরা।
শান্তিরবাজারের প্রাণকেন্দ্র দক্ষিণ বাজার আজ জনশূন্য, চরম সংকটে ব্যবসায়ীরা
বেচাকেনা নেই, দোকান খুলে বসে দিন কাটছে। বিধায়ক প্রমোদ রিয়াংয়ের হস্তক্ষেপ দাবি ব্যবসায়ীদের
38
previous post
